৫. ইউরোফাইটার টাইফুন
আবিষ্কারক: ইউরোপীয় ইউনিয়ন
১৯৮৬ সালে ইউরোপীয় কনসোর্টিয়াম গঠন করা হয় একটি যুদ্ধবিমান তৈরির লক্ষ্য যা ভূমি থেকে ভূমিতে খুব সহজে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে পারবে। এর সদস্য ছিল জার্মানি,ইতালি, ব্রিটেন এবং পরবর্তীতে স্পেনকে সংযুক্ত করা হয়।
এই যুদ্ধবিমানটি ইউরোপয়ান মিসাইল ধারা সুসজ্জিত এবং এটি বোমা বহন করতেও সক্ষম। মনে করা হয় যে, এটি এফ-২২ রেপটর এর অর্ধেক সমপরিমাণ শক্তিশালী এবং ফ্রান্সের রাফলের এবং রাশিয়ান সুখই-২৭ এর চেয়ে বেশি শক্তিশালী।
৪. চেংদু জে-২০
আবিষ্কারক: চীন
এটি চীনের তৈরি চতুর্থ প্রজন্মের স্টিলথ প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান। মূলত আমেরিকার এফ-২২ রেপটর এবং রাশিয়ার সুখই-৫৭ এর মত পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানগুলোকে টক্কর দেওয়ার জন্যই উক্ত বিমানটি তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০১৫ সালে এর নির্মাণ শেষ করা হয় এবং ২০১৬ সালে এর অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করা হয়। ২০১৭ সালে এর দায়িত্ব চীনা বিমানবাহিনীর উপর ন্যস্ত করা হয়।
এটি মধ্যম এবং দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম এবং সহজেই ভূমিতে তা নিক্ষেপ করতে এই যুদ্ধবিমানটি খুবই কার্যকরী। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, এটি আমেরিকার তৈরি পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এফ-২২ রেপটার থেকেও বেশি পরিমাণে ফুয়েল ধারণ এবং আকাশে অবস্থান করতে পারে।
৩. সুখই এসিইউ-৫৭
৩. সুখই এসিইউ-৫৭
আবিষ্কারক: রাশিয়া
এটি রাশিয়ার তৈরি একটি পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান। মিগ -২৯ এবং সুখই এসিইউ-৩৫ এর উন্নত সংস্করণ হিসেবে বিমানটি আনা হয়। ২০০১ সাল থেকেই এর তৈরির কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২০১০ সালে এর নকশা উন্মোচন করা হয়। ২০১৮ সালে এটি তৈরি সম্পূর্ণ হয় এবং রাশিয়ান বিমানবাহিনীর কাছে এর ১২টি ফ্লিট প্রদান করা হয়।
বর্তমানে রাশিয়ান বিমানবাহিনীর ১৫০-২০০ টির মত উক্ত যুদ্ধবিমানের চাহিদা রয়েছে। যুদ্ধবিমানটি আকাশ থেকে আকাশ এবং আকাশ থেকে ভূমিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে পারে এবং এটি গাইডেড বোমা বহন করতেও সক্ষম। ২০১৮ সালে সিরিয়া তে যুদ্ধবিমানটি মোতায়েন করা হয়েছিল। এটি ৭,৫০০ কেজির মতো বোমা বহন করতে পারে।
২. লকহিড মার্টিন এফ-৩৫
২. লকহিড মার্টিন এফ-৩৫
আবিষ্কারক: আমেরিকা
এটি আমেরিকার তৈরি একটি পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান যা লাইটটেনিং-২ নামেও পরিচিত। এর মধ্যে স্টিলথ প্রযুক্তি রয়েছে যা রাডারকে নিষ্ক্রিয় করার ক্ষমতা রাখে। মূলত সুনির্দিষ্ট জায়গায় বোম্বিং করার জন্য এটি খুবই পারদর্শী। এটি আকাশ থেকে আকাশে এবং আকাশ থেকে ভূমিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে পারে।
এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে শক্তিশালী যুদ্ধবিমান ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে যুদ্ধবিমানটিতে। সিরিয়া যুদ্ধের সময় ইসরায়েল এই যুদ্ধবিমান টি ধারা সিরিয়া য় হামলা করে। এর পাশেই রাশিয়ার এস-৩০০ এবং এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন ছিল কিন্তুু যুদ্ধবিমানটি এই রাডারে ধরা পড়েনি।
১. লকহেড মার্টিন এফ-২২ রেপটর
১. লকহেড মার্টিন এফ-২২ রেপটর
আবিষ্কারক: আমেরিকা
এটি আমেরিকার তৈরি একটি পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান। ১৯৮০ সাল থেকেই এফ-১৫ এর বিকল্প হিসেবে এটি তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তখনকার সময়ে সুখই এসইউ-২৭ এবং মিগ-২৯ ধারা রাশিয়া আকাশ প্রতিরক্ষায় অনেকটাই এগিয়ে ছিল।
কিন্তুু ২০০৩ সালে যখন এই যুদ্ধবিমানটি উন্মোচন করা হয় তখন এটি বিশ্বের অন্য যেইকোনো যুদ্ধুবিমানের চেয়ে এগিয়ে যায়। এটি বিশ্বের কোনো দেশেই রপ্তানি করা হয়নি এমনকি আমেরিকার ঘনিষ্ট মিত্রদের কাছেও না।
এতক্ষন সময় নিয়ে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। পোস্টটি ভালো অথবা মন্দ লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং শেয়ার করতে ভুলবেন না।




